ফাংশন (Function Key) কি কোনটির কী কাজ– (www.blogkori.tk)

ফাংশন (Function Key) কি কোনটির কী কাজ–


F1 : উইন্ডোজকে সেফ মোডে খুলতে ব্যবহার করা হয়। উইন্ডোজসহ বেশির ভাগ সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে এটি হেল্প বাটন হিসেবেও কাজ করে।
F2 :   উইন্ডোজ চালুর সময় বায়োসে প্রবেশ করতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই কি ব্যবহার হয়। কম্পিউটারে সিলেক্ট করা কোনো ফাইল বা ফোল্ডার রিনেম বা নাম পরিবর্তনও এটি চেপে করা যায়। মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে কোনো ডকুমেন্ট খুলতে alt+ctrl+F2 ব্যবহার করা হয়।
F3:     উইন্ডোজ ডেস্কটপের ক্ষেত্রে এই বাটন সার্চের কাজ করে। এই কি (key) চেপে ডস মোডে লেখা সর্বশেষ লাইনটিও ফিরিয়ে আনা যাবে।
F4:    উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার বা ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের ক্ষেত্রে এই বাটন অ্যাড্রেস বার খোলার কাজ করে। অ্যাক্টিভ উইন্ডো একবারে বন্ধ করতে alt+f4 ব্যবহার করা হয়।
F5:     যেকোনো ব্রাউজারের ক্ষেত্রে এই বাটন রিফ্রেশের কাজ করে। মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে এই বাটন দিয়ে একবারে Find, Replace, Go to ডায়ালগ উইন্ডো খোলা যায়।
F6 :   ব্রাউজারের ওয়েব অ্যাড্রেসে যেতে বা সিলেক্ট করতে এটি ব্যবহার হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই বাটন দিয়ে ভলিউমও কমানো যায়।
F7:     মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ও আউটলুকের ক্ষেত্রে বানান ও ব্যাকরণ চেক করার জন্য ব্যবহার হয়। কিছু ল্যাপটপের ক্ষেত্রে এই বাটন দিয়ে ভলিউম বাড়ানো যায়।
F8:  উইন্ডোজকে সেফ মোডে খুলতে এই বাটন ব্যবহার করা হয়। কিছু কম্পিউটারে এটি দিয়ে উইন্ডোজ রিকভারি সিস্টেম শুরু করা যায়।
F9:  মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে এই বাটন রিফ্রেশের কাজ করে। কিছু ল্যাপটপের ক্ষেত্রে  এটি দিয়ে ব্রাইটনেস কমানো যায়।
F10:  যেকোনো অ্যাক্টিভ উইন্ডোজের ক্ষেত্রে এটি দিয়ে মেন্যু বার খোলা হয়। কিছু ল্যাপটপের ক্ষেত্রে এই বাটন দিয়ে ব্রাইটনেস বাড়ানো যায়।
F11 : ইন্টারনেট ব্রাউজারে ফুলস্ক্রিন মোডে ঢুকতে ও বেরুতে কাজ করে।

F12 : মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে ডকুমেন্ট Save as করতে গেলে মাউসের সাহায্য না নিয়ে এই কি দিয়ে শর্টকাটে সেরে ফেলুন।


(www.blogkori.tk)

Jhon Mond

Phasellus facilisis convallis metus, ut imperdiet augue auctor nec. Duis at velit id augue lobortis porta. Sed varius, enim accumsan aliquam tincidunt, tortor urna vulputate quam, eget finibus urna est in augue.

Post a Comment